ফ্রীল্যান্সিং শিখুন ঘরে বসে আয় করুন | পিসি হেল্পলাইন বিডি (PC Helpline BD)
বিজ্ঞাপন
Homeআউটসোর্সিংফ্রীল্যান্সিং শিখুন ঘরে বসে আয় করুন

2 মাস আগে (অক্টোবর ৩, ২০১৬) 174 বার দেখা হয়েছে

ফ্রীল্যান্সিং শিখুন ঘরে বসে আয় করুন

Category: আউটসোর্সিং | Tags: , , , , , by

বিজ্ঞাপন
Domain Hosting Offer

বাংলাদেশের পত্র পত্রিকা গুলোতে ইদানিং ফ্রীল্যান্সিং নিয়ে বেশ লিখালিখি হয় – যার কল্যাণে তরুন সমাজ এ বিষয়ে বেশ আগ্রহী হয়ে উঠছে- যা অবশ্যই দেশের জন্য ভালো। কারন এখানে কাজ করতে হয় বিশ্বের নানা দেশের কোম্পানি গুলোর সাথে – যার দরুন প্রচুর রেমিটেন্স আসে।

অনেকেই জানতে চান, কিভাবে ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কাজ করা যাবে অথচ কোন দক্ষতা নেই।

আসলে অনেকের ধারনা ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে এ গেলেই কাজ করা যাবে। যারা নতুন নিজের দক্ষতা কে যে ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে ব্যবহার করে কাজ করতে হবে, তা অনেকেই জানেন না। আর অনেকে ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট করে বেশ কিছুদিন চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে এসে জানতে চান যে এখন কি করা যাবে? কিভাবে কাজ পাওয়া যাবে?

তাই আগে ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে সম্পর্কে ধারনা টা আরেকটু পরিষ্কার করা প্রয়োজন মনে করছি। ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস হচ্ছে যেখানে কাজ পাওয়া যাবে , কাজ দেওয়া হয়।

যেমন অনেকে বিডি জবস এর সাথে পরিচিত। যেখানে বাংলাদেশের অনেক কাজ পাওয়া যায়। কোম্পানি গুলো অনেক জব পোস্ট করে । আপওয়ার্ক তেমনি একটি মার্কেটপ্লেস। কিন্তু এর মান অনেক উন্নত – আন্তর্জাতিক। আর সারা পৃথিবীর অনেক বড় বড় কোম্পানি ও এখানে জব পোস্ট করে।(যেমন গুগল) তাই অবশ্যই আপনার দক্ষতা থাকতে হবে – এবং যদি হয় আন্তর্জাতিক মানের – তবে আপনি বেশ ভালো কাজ করতে পারবেন।

কারন সারা পৃথিবী থেকে আন্তর্জাতিক মানের কনট্রাক্টর রা আপওয়ার্ক মত নামী মার্কেট প্লেস গুলোতে কাজের জন্য বিড করে বা এপ্লাই করে।

তো আশা করি বুঝতে পারছেন আপনি কোন না কোন স্কিল তৈরি করতে হবে। যেমন ওয়েব ডেভেলপার, একাউন্টিং, গ্রাফিক ডিজাইন, ইমেইল মার্কেটিং ইত্যাদি। তবে আপনার যদি কোন স্কিল থেকে থাকে পূর্বে থেকেই (যেমন একাউন্টিং, ইত্যাদি) তবে আপনি তা দিয়েও শুরু করতে পারেন।

আসলে হ্যাঁ। এমন অনেক অনেক কাজ আছে যা আমরা জানি ই না। ইন্টারনেট আসার পর থেকে ওয়েব বেসড অনেক কাজ তৈরি হয়েছে আরো হবে। যেমন সামাজিক যোগাযোগ এর ওয়েব সাইট ফেইসবুক বিপুল জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর স্বাভাবিক ভাবেই সাইট এর ইউজার অনেক বেড়ে গেছে। কোম্পানি গুলো তাই তাদের প্রোডাক্ট কে ইউজার এর কাছে পৌছানোর জন্য এই রকম সাইট গুলো তে মার্কেটিং করছে। এমন আরো কিছু সাইট হলো – টুইটার, পিন্টারেস্ট, কোরা, পলিভর, লিঙ্কডিন ইত্যাদি।

আরেকটি কাজ হলো ইমেইল মার্কেটিং। ইমেইল এর মাধ্যমে প্রোডাক্ট এর বিস্তারিত পাঠানো হচ্ছে সম্ভাব্য ক্রেতার কাছে। কিন্তু যখন ওয়েব ছিলো না – এর কথা কল্পনা করা যেত না। এসেছে সার্চ ইঞ্জিন এ রেঙ্কিং পাওয়ার কাজ – এস ই ও (সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন)। কোম্পানি গুলো সার্চ ইঞ্জিন এ সার্চ রেজাল্ট এর প্রথম দিকে তাদের নাম নিয়ে আসার জন্য এস ই ও এর কাজ করাচ্ছে। আপওয়ার্ক এর সূত্র মতে- বাংলাদেশে আপওয়ার্ক এর কাজের বেশিরভাগ হয়েছে এস ই ও এর কাজ। তো দেখা যাচ্ছে এই কাজ গুলোর অস্তিত্ত আজ থেকে ৩০ বছর আগেও ছিলো না।

তাই বর্তমান প্রেক্ষাপট এর আলোকে বলা চলে প্রথিবী হতে যাচ্ছে প্রজুক্তিময়। একসময় ঘরে ঘরে চলে যাবে ইন্টারনেট (উন্নত বিশ্বে এখনি চলে গেছে)।

বাংলাদেশে এস ই ও বা গ্রাফিক ডিজাইন ইত্যাদি এখন খুব প্রচলিত। আপনি করতে পারেন। কিন্তু যদি নতুন ধরনের কাজ চান, তবে একটু খুজুন। অনেক ভালো স্কিল আছে যার চাহিদা অনেক।

কি কি স্কিল?

  • সর্বপ্রথম আপানাকে অবশ্যই অবশ্যই SEO এর উপর জ্ঞান থাকতে হবে
  • বেসিক HTML
  • ওয়েব ডিজাইনিং
  • গ্রাফিক ডিজাইন
  • ওয়েব রিসার্স
  • সফটওয়্যার ডেভেলপিং
  • রাইটিং
  • কাস্টমার সাপোর্ট
  • সাপোর্ট দেয়া

এবং আরো অনেক।

অনেক স্কিল এর ডিমান্ড বেশি অর্থাৎ ইনকাম বেশি । কিন্তু তা বেশ সময় দিয়ে শিখতে হয়। ধৈর্যের কিছু পরীক্ষা দিতে হয়। আর কিছু সহজে হয়তো শেখা যাবে কিন্তু চাহিদা কম আর থাকলেও বেশ কম্পিটিশন। কারন এটা সহজ (যেমন ডাটা এন্ট্রি) ।

এবার আপনি সিদ্ধান্ত নিন কি শিখতে চান। সিনিয়ার অভিজ্ঞ কনট্রাক্টর দের সাথে কন্সাল্ট করুন।

আর এরপর যা লাগবে –

১। ইংরেজির দক্ষতা – অন্তত লিখে যেন মনের ভাব প্রকাশ করতে পারেন এবং যব পোস্ট দেখে বুঝতে পারেন যে কি লিখা হয়েছে। ব্যাকরণের কিছু ভুল হলে সমস্যা নেই তবে না হলেই বেটার। আর ভালো হলে তো কথাই নেই। আউটসোর্সিং এ ফিলিপাইন উঠে এসেছে এই কারনেই।

২। আপনার নিজের পি সি / ইন্টারনেট

পাশাপাশি একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার আছে।

আগামি বছরের ভেতর শুনেছি ৬০% ফ্রিলেন্সার যারা বেশ সহজ কাজ গুলো করেন – ঝরে যাবেন আর কিছু করবেন ধুকে ধুকে। যারা ভালো স্কিল নিয়ে কাজ করছেন, তারা কাজ করে যাবেন দাপটের সাথে।

তথ্য প্রযুক্তির স্রোত বেশ পরিবর্তন শীল। যেমন আগামি বছরের ভেতর এন্ড্রেয়েড এর ইউজার হবে ১ বিলিয়ন।

তাই এখন সময় এসে গেছে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাতে নিজেকে সামনে নিয়ে যাবার।

ভালো স্কিল ডেভেলপ করতে হয়তো একটু বেশি সময় লাগবে, একটু কষ্ট হবে – কিন্তু ফল পাবেন সুদূর প্রসারি। আপনার আজকের পদক্ষেপ – ভবিষ্যতের আপনি।

এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে এই লিংকে ক্লিক করে আমাদের সাথে থাকুন।

About 35

author

This user may not interusted to share anything with others

Related Posts

PC Helpline BD Facebook